ওসি ও জামায়াত নেতার কারসাজি: মামলা দিয়ে এক নারীকে ফাঁসানোর অভিযোগ


নির্ভীক সংবাদ24   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ২ ডিসেম্বর, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার ওসি শাহাদত হোসেন খান ও এক জামায়াত নেতার মিথ্যা মামলাও ষড়যন্ত্রের শিকার এক নারী।

আর সেই মামলায় বর্তমানে ডা. ফাতেমা সিদ্দিকার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী ( পি.এস) ফজিলাতুন নেছা মেরী (৫৬) কারাগারে রয়েছেন।

ভোক্তুভোগী সেই নারীর পরিবার মামলাটি সুষ্ঠ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন তার ভাই নগরীর রাজপাড়া থানার নতুন বিলসিমলা এলাকার মুনসুর রহমানের ছেলে মাসুদ আলী পুলক। সে জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার রাজশাহী ব্যুরো প্রধান হিসাবে কর্মরত।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ফজিলাতুন নেছা মেরী (৫৬) নামের এক নারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির অভিযোগ এনে ডাক্তার ফাতেমা সিদ্দিকা তার স্বামী জামাত শিবিরের এজেন্ট এবং ডোনার মোঃ ইউসুফ মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে নগরীর রাজপাড়া থানার ওসি সাহাদত হোসেন খান নির্দোষ ফজিলাতুন নেছাকে মিথ্যা চুরির মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।

ফজিলাতুন নেছা নগরীর রাজপাড়া থানাধীন তেরখাদিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি প্রায়
১২ বৎসর যাবৎ মাদারল্যান্ড হাসপাতালে ডাক্তার ফাতেমা সিদ্দিকার ব্যক্তিগত সহকারী
( পি.এস) হিসাবে কর্মরত ছিলেন। গত ১৭/০৫/২০২০ ইং তারিখে সেই ডাক্তারের বোনদের সাথে কথাকাটাকাটিতে এবং মনোমালিন্যের একপর্যায়ে চাকুরী থেকে ইস্তেফা নেন। কিন্তু ডাক্তার ফাতেমা কাজে যোগ দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন ফজিলাতুন নেছা মেরীকে।

চাকুরী করবে না বলে এমন সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয় ফজিলাতুন নেছা মেরী।

গত, ১৭/০৮/২০২০ ইং তারিখে ডাঃ ফাতেমা সিদ্দিকা রাজপাড়া থানায় একটি অভিযোগ করেন ফজিলাতুন নেছা মেরীর বিরুদ্ধে যা তদন্ত করেন রাজপাড়া থানার এস.আই হায়দার আলী। তিনি উভয় পক্ষকে ১৯/০৮/২০২০ ইং তারিখে থানায় উপস্থিত হতে বলেন ফজিলাতুন নেছা মেরী থানায় হাজির হলেও সেদিন ডাক্তার ফাতেমা সিদ্দিকা হাজির হননি।

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মরিয়া ডাক্তার ফাতেমা সিদ্দিকা তার স্বামী জামাত শিবিরের এজেন্ট মোঃ ইউসুফ আবারো গত ২৮ নভেম্বর ২০২০ ইং তারিখে রাজপাড়া থানায় পুনরায় এক লাখ টাকার চুরির অভিযোগ এনে ফজিলাতুন নেছা মেরীর বিরুদ্ধে মামলা করেন থানার যার মামলা নং ৬৯, মামলার তারিখ ২৮/১১/২০২০ ইং, সময় রাত ১২.২৫ মিনিট।

মামলা রেকর্ড করেন ওসি, রাজপাড়া থানা কিন্তু তাৎক্ষনিক রাত ২.০০ টায় কোন তদন্ত ছাড়াই এত অল্প সমেয়র মধ্যে ফজিলাতুন নেছা মেরীকে গ্রেফতার করে রাজপাড়া থানা পুলিশ
এ নিয়ে রহস্যের ধুম্রুজাল সৃষ্টি হয়েছে।

যা এজাহারে বলা হয়েছে যে, চুরির অভিযোগ গত ২৭/১০/২০২০ ইং তারিখে অথচ মামলা দায়ের করে ২৮/১১/২০২০ ইং তারিখে।

বিষয়টি মৌখিতভাবে এ.সি, রাজপাড় কে জনানো ও হয়।

ভোক্তুভোগী নারীর ভাই মোঃ মাসুদ আলী পুলক জানান, ডাক্তার ফাতেমা সিদ্দিকা ও তার স্বামী-মোঃ ইউসুফ জামাত শিবিরের এজেন্ট এবং ডোনার ও জামাত শিবিরে রোকন পদে বহাল আছেন। তাহার স্বামী ও ছেলে তালহা এর নামে একাধিক নাশকতার নামে মামলা আছে।

যাহা সিডিএম এ যাচাই করলে তথ্য পাওয়া যাবে। তাহার পরিবারবর্গে বিদেশ গমন এর নিষেধাজ্ঞা বহাল আছে সরকার পক্ষ থেকে। এমন একজন জামাত শিবিরের নেতৃত্বের কথা ওসি রাজপাড়া থানার শাহাদত হোসেন পরিকল্পিতভাবে ও মোটা অর্থের বিনিময়ে এই ষড়যন্ত্র মূলক মামলাটি রুজু করেছেন। এর সাথে যোগসাজসে আছে এস.আই মোঃ মুকবুল হোসেনের ফলে আইনের অপব্যবহার করে বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য কিছু অসাধু পুলিশ অফিসার নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য ইচ্ছেমতো মনগড়া, ভিত্তিহীন, মিথ্যা, বানোয়াট মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানী করতে করছে।

এখন আমার বোনের পুরো পরিবার দুর্বিসহ ও অসহায়ত্বের মধ্যে জীবন যাপন করছে তাই বিষয়টি সম্পর্কে সংক্লিষ্ট প্রশাসের দৃষ্টি আর্কষন করছি।

এবিষয়ে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদত হোসেন খানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে
বলেন,স্বাক্ষাৎত এ কথা হবে বলে তিনি আর কোন মন্তব্য করতে চাননি।
নির্ভীক সংবাদ ডটকম

Total view = 359