সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৬:০৪ অপরাহ্ন

চাল-তেলের দাম লাগামহীন

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৭ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: কয়েক মাস ধরেই সব ধরনের সবজির দাম কম। অধিকাংশ সবজি ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে মিলছে। সবজিতে স্বস্তি থাকলেও কিছুদিন যাবত চাল-তেলের দাম লাগামহীন। আর মাংস ও মাছের বাজার চড়া।

মূলত শীতের মৌসুম শুরুর পর থেকেই সবজির দাম যথেষ্ট কম। শীত শেষ হয়েছে বেশি কিছুদিন। তারপরও বাজারে অধিক পরিমাণে রয়েছে শীতকাল সবজি। অধিকাংশ সবজির কেজি ২০ টাকা থেকে ৪০ টাকার মধ্যে।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহীর বাগমারা তাহেরপুর কাঁচাবাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুনের কজি ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা, গাজরের কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শিমের কেজি ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা, টমেটোর কেজি ২০ টাকা, কাঁচা মরিচের কেজি ৪০ টাকা থেকে ৫০, পেঁপের কেজি ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা, প্রতিটি লাউ ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, ফুলকপি ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা, বাঁধা কপি ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা, ২০ টাকা, করোলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, সজনেডাঁটা ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা।

প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা। হলান্ডের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি। আলুর কেজি ১৫ টাকা। ইন্ডিয়ান মসুর ডাল ৮০ টাকা কেজি, দেশি মসুর ডাল ১১০ টাকা কেজি। রসুন ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা কেজি, আদা ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রাজশাহী সদরের বাজারগুলোর থেকে গ্রামের-পাড়া-মহল্লার দোকানে দাম কিছুটা বেশি লক্ষ্য করা যায়।

বাজরে তিন ধরেনর মিনিকেট চাল আছে। এসব চাল ৬২-৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আটাশ চালের কেজি ৫২ থেকে ৫৪ টাকা, নাজিরশাইল চাল ৬৫-৬৮ টাকা, পাইজাম চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা কেজি, গুটি স্বর্ণ ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত তেল ১৩৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। যদিও গায়ের মূল্য ১৩৫ টাকার বেশি। খোলা তেল বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা কেজি।

জানাগেছে, ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্ধারণ করে দিয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সংক্রান্ত দর নির্ধারণ কমিটি। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খোলা সয়াবিন প্রতিলিটার খুচরা ১১৫ টাকা, বোতলজাত ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আলীপুর বাজারের মুদি-দোকানি আলী হোসেন ‘নির্ভীক সংবাদ’ কে বলেন, তেলের দাম কয়েক দফা বৃদ্ধির পর দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। বোতলজাত তেলের গায়ের মূল্য বেশি থাকলেও সরকারের বেধে দেয়া দামে বিক্রি হচ্ছে। সরকার প্রতিলিটার খোঁলা তেলের ১১৫ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে, আমরা ১২৫ টাকা কেজি বিক্রি করছি। লিটার হিসাবে সরকারের দামই পরে।

বয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা, কক মুরগি ২০০ টাকা কেজি, গরুর মাংস ৫৫০ টাকা, খাসির মাংস ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাকিস্তানি মুরগীর জোড়া বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা।

মাছের বাজারও বেশ চড়া। বড় সাইজের কতলা ও  রুই ৩৫০ টাকা, মাঝামাঝি সাইজের ২৭০ ও ছোট সাইজের কেজি ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই অভিযোগ করে বলেন,
বাজার নিয়ন্ত্রণের নামে কথিত কিছু সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি আমরা সাধারন মানুষ,বাজার নিয়ন্ত্রণের নামে কিছু অসৎ ব্যাবসায়ীরা হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা,ফলে
ধনীরা বেশি ধনী হচ্ছে আর নিম্ম আয়ের মানুষগুলোর ভিখারি দশা। তাহলে কি নিয়মিত বাজার মনিটরিং হচ্ছে না,নাকি বাজারনিয়ন্ত্রনের নামে মাঝে মধ্যে অভিযান চলে তা কেবলমাত্র লোক দেখানো।
নির্ভীক সংবাদ ডটকম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 nirviksangbad24.com
Design & Developed by: ATOZ IT HOST
Tuhin