জোরপূর্বক প্রাচীর নির্মানের অভিযোগ ছবি সাহা ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে


নির্ভীক সংবাদ24   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ২৮ জানুয়ারী, ২০২১

রাজশাহী প্রতিনিধি: জমি নিয়ে গন্ডগোল চলে আসছে সেই সত্যযুগ থেকে। জমি নিয়ে যুদ্ধ শুরু হয় দুর্যোধন ও যুধিষ্ঠির মধ্যে ভাই ভাই এ।তখন থেকে শুরু হয় ক্ষমতার দ্বাপট। এখনএ চলছে জমি নিয়ে দ্বন্দ।

হ্যাঁ আবারও অন্যর জমি দখল ও গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে স্বপন সাহা, বিশ্বজিত সাহা ও ছবি সাহার বিরুদ্ধে।

তাদের বিরুদ্ধে গত ২৬ জানুয়ারি ২০২১ এ বাঘা থানাই ও পৌর মেয়র এর কাছে লিখিত অভিযোগ করে রাজশাহীর বাঘা পৌর সভার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুবাস কুমার ও একই ওয়াডের অপুর্ভ কুমার সাহা।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, রাজশাহী জেলার বাঘা থানার নারায়নপুর নিবাসি সুবাস কুমার এর জমির উপর প্রাচীর নির্মান করার জন্য পিলার দেয় ছবি সাহা।

সুবাস সাহা পিলার দেওয়ার জন্য বেইজ কাটতে নিষেধ করলেও জোর পূর্বক সুবাস সাহার জমিতে পিলার নির্মান করে। কিন্তু জমি মাপ যোগের পর সেই পিলার সুবাস কুমার এর জমিতেই আছে দেখা যায়।তাই আর প্রাচির দেওয়া হয় নি ছবি সাহার। কিন্তু সেই পিলার দুই দিনের মধ্যে ওখান থেকে সরানোর কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত সরানো কোন বালাই নেই।পরে ছবি সাহা ও স্বপন সাহাকে সরানোর কথা বললে বলে “কি করবি কর গা প্রাচীর দিবো”

অপর দিকে সকালে একটি আম গাছের জোর পুর্বক ডাল কেটে ফেলে স্বপন সাহা,ছবি সাহা ও বিশ্বজিত সাহা।তখন এলাকা বাসির খবর দেই অপুর্ব সাহাকে। সে বাগানে দৌড়ে গিয়ে দেখে প্রাচীর দেওয়ার জন্য গাছের বিপরিত পাশের ডাল কেটে ফেলেছে।পরে সে ওখানে গিয়ে ডাল কাটতে নিষেদ করে পরে পরিস্থিতি খারাপ দেখে বাঘা থানাই খবর দিলে পুলিশ এসে পরিস্থিতা শান্ত করে ও পোাচীর ও গাছ কাটা আটকাই।

এই বিষয়ে সুবাস কে প্রতিবেদক মুঠোফোনে জানতে চাইলে বলে ওরা জোর করে প্রাচির দিচ্ছিল। নিষেদ করলে বলে যা করবি কর প্রাচির দেব।জমি মাপ যোগের পর প্রাচীর এর পিলার আমার জমিতেই পরেছে। তখন দুই দিন সময় নেয় পিলার উঠানোর জন্য কিন্তু সাত দিন পার হলেও এখনও পিলার উঠাই নি।

উল্লেখ যে গত বছর ২৭ অক্টবর ১৬ জনের জমি দখল করে প্রাচীর নির্মান করছে এই অভিযোগ হয় ছবি সাহা ও তার ভাইদের নামে। পরে বাঘা পৌর মেয়র, প্যানেল মেয়র ও এলাকার গন্যমান্য ও আমজনতা মিলে সেই জমির মিমাংসা করে।

জমি দখল এই বিষয়ে স্বপন সাহাকে প্রতিবেদক অভিযোগের কথা জিঙ্গাসা করলে বলে
ওই গাছটা আমাদের ছিল। ত্রিশ বছর থেকে আমরা ভোগ দখল করে আছি কয়েক দিন আগে আমিন এনে সরজমিন মাপতে গিয়ে সিমানা থেকে ৩/৪ ফিট ভিতরে আসছে। আর গাছটার ৬ইন্চি এপাশে আসে। গাছটা উত্তম দা রা পায়।তখন আমি উত্তম দাকে গাছটা আমাদের দিতে বলি সে বলে অপুর্বর কথা পরে অপুর্ব গাছ দিতে রাজি না হলে আমি গাছ কেটে নিবো বলি।পরের দিন সকালে গাছের দুটা ডাল কাটতেই অপুর্ব বাধা দেই এবং পরে থানা থেকে পুলিশ এসে নিষেদ করে আমি আর গাছ কাটিনাই।সুবাসের জমির কথা জিঙ্গাসা করলে বলে ওই প্রাচীর এর কাজ ও বন্ধ আছে।

বাঘা পৌর মেয়র রাজ্জাক কে মুঠো ফোনে কল করলে পাওয়া যায়নি ।

এই বিষয়ে বাঘা ৪ নং কমিশনার মো আসলাম হোসেন বলেন, পৌর আইন লঙ্ঘন করে রাস্তার সাথেই প্রাচীর নির্মান করেছে। আমি নিষেদ করলে মিম এর মামারা বলে তাদের জমিতেই প্রাচীর নির্মান করছি। অন্য পান্তে আনিস ছিট কাপড় বিক্রেতার জমির ভিতরে ৪ ফিট চলে গেছে ও সুবাস কুমার এর জমিতেও চলে গেছে পরে আমিন এসে কাজ বন্ধ রেখেছে এখন।

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসিকে মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগর চেষ্টা করা হলে পাওয়া যায়নি।

Total view = 175