দূর্গাপুর অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে অভিযান শুরু সাংবাদিককে হুমকিদাতা ছলিমের গাড়িভাংচুর


নির্ভীক সংবাদ24   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ৫ জানুয়ারী, ২০২১

মোস্তাফিজুর রহমানজীবন,রাজশাহীঃরাজশাহীর দুর্গাপুরের অবৈধ পুকুর খননের মহাধুম ধাম।যেখানে সেখানে চলছে প্রশাসনেকে ম্যনেজ করে পুকুর খনন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হলেও কোন ভাবে বন্ধ হয়নি পুকুর খনন। শুরু তাই নয় বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের কোন ড্রেন না রেখে চলছে অপরিকল্পিত ভাবে পুকুর খনন। আমগাছ, পেয়াজ, রসুন,সরিসা ক্ষেত নষ্ট করে চলছে পুকুর খনন। এমনকি ছোট ছোট জমির মালিককে না বলে জোর করেও চলছে পুকুর খনন। শত শত কৃষক লিখিত ও মৌখিক উপজেলা প্রশাসকে বার বার বলেও কোন লাভ হয়নি।অনেক জায়গায় কৃষক অবৈধ পুকুর খনন বন্ধের জন্য মানববন্ধন করতেও দেখা গিয়েছে কিন্তু তাতেও ফলাফল শুন্য।অবৈধ পুকুর খননের কারনে কৃষকদের আহাজারি দেখার যেন কেউ নেই।অবৈধ পুকুর খননের পাশাপাশি চলছে মাটি বিক্রয়ের মহাধুম ধাম।পুকুর হতে মাটি ট্রাকটর গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায়। এতে করে রাস্তায় মাটি পড়ে থাকায় যানচলাচল হয়েছে মরন ফাঁদ প্রতিনিয়ত হচ্ছে নানান দূর্ঘটনা।
উপজেলার সকল রাম্তা যেন মরন ফাঁদ জনগণের দাবি এগুলোর জন্য দায় উপজেলা প্রশাসনের।

রাজশাহী জেলার অবৈধ পুকুর খননের জন্য বিতর্কিত দূর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন। অবৈধ পুকুর খননের বিষয়টি নজরে আসে রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ ৫ জানুয়ারি
দূর্গাপুর উপজেলায় প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করেন।
এ সময় দুর্গাপুর উপজেলার গপিনাথপুর বিলে অবৈধ পুকুর খনন ভেকু সিন্ডিকেটের প্রধান ঢাকা আমিন বাজার হতে আসা ছলিমের একটি ড্রেজার মেশিন অবৈধ পুকুর খননের সময় জব্দ করেন। এই সময় দালাল চক্রের প্রধান ছলিম পালিয়ে গেলেও তার ১৫ টি ভেকু ড্রেজার গাড়ির মধ্যে ১টি ভাংচুর করা হয়।

অনেকে অভিযোগ করে বলেন,এই ভেকুদালাল চক্রের ছলিমের ইশারাতেই চলছে দুর্গাপুরের সকলকে ম্যনেজ করে অবৈধ পুকুর খনন। আর এই নিয়ে দূর্গাপুর উপজেলার গনমাধ্যমে তেমন কোন সংবাদ গুরুতর ভাবে প্রকাশিত না হলেও রাজশাহী জেলা প্রতিনিধিরা ধারাবাহিক ভাবে পুকুর খননের সংবাদ প্রকাশ করে আসছে আর এরই ধারা বাহিকতায় প্রশাসন নড়ে চড়ে বসে অভিযান পরিচালনা শুরু করেন।শুধু তাই নয় অবৈধ পুকুর খনন বন্ধের জন্য নিউজ করায় এক সাংবাদিক কে প্রাননাশের হুমকি দেন এই ছলিম।হুমকি দেবার জন্য সাংবাদিক বাদি হয়ে দূর্গাপুর থানায় জিডিও করা হয়। কিন্তু তাতেও কোন সুফল আসেনি। চলছে অবৈধ পুকুর খনন।

দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এমন অনিয়ম আমলে না নেওয়ার কারনে রাজশাহীর সুযোগ্য জেলা প্রশাসকের নির্দেশে এই অভিযান পরিচালনা হয়।

দূর্গাপুর উপজেলার কৃষকদের দাবি এই অভিযান যেন কোন ভাবে থেমে না যায় সেই বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কঠোর নজরদারি দাবি করেন।

সেই সাথে দূর্গাপুর উপজেলায় প্রায় ৫০টি ভেকু গাড়ি দিয়ে ৩০ টি পয়েন্ট চলছে এগুলো বন্ধ করে কৃষক পরিবারের ফসলি জমি ফিরিয়ে দেবার দাবিও করেন।দিনরাতে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্র কে ধরে আইনের আওতায় আনতে হবে। অবৈধ পথে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে বেশ কিছু ভেকু মালিক মাদকের সাথে যুক্ত রয়েছে।তারা শুধু একা মাদকসেবন করছে না তাদের সাথে থাকা ব্যাক্তিদেরকেও মাদকের সাথে যুক্ত করছেন।
এতে করে বাড়ছে মাদকাসক্ত ঝুঁকির মুখে পড়ছে আমাদের যুব সমাজ। কৃষক বাঁচাও বাঁচবে দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ।
নির্ভীক সংবাদ ডটকম

Total view = 422