• রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন

নাটোরের বড়াইগ্রামে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ভাইবোনসহ নিহত-৭

গোলাম গাউস / ২১৫ Time View
Update : শনিবার, ৭ মে, ২০২২

নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের বড়াইগ্রামে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ভাইবোনসহ ৭ জন নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে অন্তঃত আরো ২০ জন। শনিবার সকাল এগারটার দিকে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার গাজী অটো রাইস মিলের সামনে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকগুলিতে, নাটোর সদর হাসপাতালে এবং রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ, পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, বগুড়া হাইওয়ে পুলিশ সুপার মুন্সী শাহাবুদ্দিনসহ প্রশাসন ও পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এদিকে জেলা প্রশাসক নিহতদের দাফনে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার ও আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিয়েছেন।

পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, বগুড়া হাইওয়ে পুলিশ সুপার মুন্সী শাহাবুদ্দিন, বাস যাত্রী এবং প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতগতি সম্পন্ন ন্যাশনাল ট্রাভেলস বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের বনপাড়া পৌরসভার গাজী অটো রাইস মিলের সামনে এলে নাটোর থেকে ঢাকাগামী সিয়াম ট্রাভেলসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থেেলই ছয় জন নিহত হয়। এ সময় আহত হয়েছে আরো অন্তঃত ২০ জন। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক আরো একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে বনপাড়া হাইওয়ে থানা পুলিশ এবং বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকগুলিতে, নাটোর সদর হাসপাতালে এবং রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। নিহতরা হলেন, নাটোরের লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়ার রুহুল আমিনের স্ত্রী মোহনা আক্তার মিলি (২৬), নাটোর সদর উপজেলার পাইকোরদলের সাজাহান আলীর ছেলে কাউছার (১৮), ও মেয়ে সাদিয়া (১২), টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার থানার বেঙ্গুনিয়ার ভানু প্রামানিকের ছেলে জলিল (২৫) , চাঁপাইনবাবগঞ্জের মশিউর রহমান (২৫), মাগুড়ার মিজানুর রহমান (৩০), এবং নাটোর সদর উপজেলার পাইকোরদলের মুক্তার হেসেনের ছেলে এ আলমগীর (৪৭)।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা ও হাইওয়ে পুলিশ সুপার মুন্সী শাহাবুদ্দিন জানান, প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দোষী চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ ,পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতি এবং ওভারটেক করার চেষ্টার কারণে এ দূর্ঘটনা ঘটেছে। জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের দাফনের জন্য প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা এবং আহতদের চিকিৎসা ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আরো জানান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোছাঃ রহিমা খাতুনকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি দুই কর্ম দিবসের মধ্যে রিপোর্ট জেলা প্রশাসক বরাবর জমা দিবেন।

নির্ভীক সংবাদ ডটকম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category