• রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন



ফের নতুন প্রজাতির করোনা,সতর্ক ব্রিটেন

Reporter Name / ৬০০ Time View
Update : সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১



নির্ভীক সংবাদ ডেস্ক : চীনের উহানে দেড় বছর আগে উদ্ভূত করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারির যে তাণ্ডব তৈরি করেছে, এটা এখন অনেকেই জানেন যে ভাইরাস সবসময়ই নিজেকে পরিবর্তন করে নতুন রূপ নিতে থাকে – যাকে বলে ‘মিউটেশন’।

কখনো কখনো এই নতুন রূপ নেয়া ভাইরাস আগেরটার চাইতে বেশি ভয়ঙ্কর হয়, বা আগের চাইতে ‘নিরীহ’ও হয়ে যেতে পারে। এমন কিছু মিউটেশনও হতে পারে যার আদৌ কোন প্রভাব পড়ে না।

ভাইরাস কেন এভাবে রূপ পরিবর্তন করে? সাধারণত এর লক্ষ্য হলো – যাতে সে এক মানবদেহ থেকে আরেক দেহে আরো সহজে ছড়াতে এবং বংশবৃদ্ধি করতে পারে, অথবা ওষুধ বা চিকিৎসার মত কোন বাধা মোকাবিলা করে টিকে থাকতে পারে।

করোনাভাইরাসও যে এভাবে মিউটেশনের মাধ্যমে নতুন চেহারা নিতে পারে বা নিচ্ছে – এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই সচেতন ছিলেন।

এখন পর্যন্ত করোনার এক ডজন ভ্যারিয়্যান্ট বা প্রজাতির হাদিস পেয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এদিকে, ব্রিটেনে ফের করোনার নয়া প্রজাতির দেখা মিলেছে। পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড (Public Health England) করোনাভাইরাসের একটি নতুন স্ট্রেন চিহ্নিত করেছে। ব্রিটেনে ১৬ জনের দেহে মিলেছে এই নয়া স্ট্রেন। গোটা ব্যাপারটা নিয়ে এখন খতিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সতর্ক রয়েছে পুরো ব্রিটেন।

ব্রিটেনের অনলাইন নিউজ পেপার ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, এই ভেরিয়েন্ট নিয়ে তদন্ত চলছে। এই নতুন প্রজাতির নাম B.1.621। জানা গিয়েছে, এখন পর্যন্ত এই স্ট্রেন সম্পর্কে বেশি কিছু জানা যায়নি। এমন কোনও প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি, যার ভিত্তিতে বলা যেতে পারে, এই ভেরিয়েন্টে ভ্যাকসিনের কার্যকারীতা কম হবে, বা এর প্রভাবে কোনও ব্যক্তি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ছেন এমন কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। তাই এখনই আতঙ্কিত হবার মতো ব্যাপার ঘটেনি।

এই ভেরিয়েন্টটি ব্রিটেনে নতুন, তবে বিশ্বের নিরিখে এই ভেরিয়েন্টটি পুরনো। চলতি বছরের জানুয়ারিতে কলোম্বিয়াতে প্রথম এই ভেরিয়েন্টটির খোঁজ মিলেছিল। ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, ‘বেশিরভাগ সংক্রমণের ঘটনা বিদেশে ভ্রমণের সঙ্গে যুক্ত। এখনও দেশে গোষ্ঠী সংক্রমণের কোনও প্রমাণ নেই।’

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্রিটেনে করোনা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ডেল্টা ভেরিয়েন্টের জেরেই পরিস্থিতি খারাপ হয়ে উঠেছে। তবে এর মধ্যেও ব্রিটেনে করোনার বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হলেও দিনে গড়ে ৩১,৭৯৪টি করোনা কেসের ঘটনা সামনে এসেছে।

অন্যদিকে শীতকালে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়্যান্ট থাবা বসাতে পারে বলে গোটা বিশ্বকে সতর্ক করেছেন ফ্রান্সের গবেষক জ্যঁ-ফসোয়াঁ দেলফেসি। তদুপরি, করোনাভাইরাসের রূপ বদল নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন গোটা বিশ্ব। প্রথম ঢেউ আছড়ে পড়ার পর একাধিকবার ভোল বদলেছে করোনাভাইরাস। আলফা, বিটা, ডেল্টা, গামা ভ্যারিয়্যান্টগুলোর দাপটে গোটা বিশ্ব। বর্তমানে ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট দাপট দেখাচ্ছে গোটা বিশ্বে। যার ফলে তৃতীয় এবং কোথাও কোথাও করোনার চতুর্থ ঢেউ-এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।

নির্ভীক সংবাদ ডটকম।




আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category