বাগমারার তাহেরপুরে ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন


নির্ভীক সংবাদ24   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ৪ জানুয়ারী, ২০২১

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন রাজশাহীঃ দেশের ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন করা হয়। বাংলা, বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জন্ম হয়।

উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ও প্রচীন ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৩তম বার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এ উপলক্ষে সোমবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধা ৭টার সময় তাহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।এসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাহেরপুর পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে কেক কাটা হয়।

তাহেরপুর কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আমিরুজ্জামান মৃধা তুহিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে মুঠোফোনে বক্তব্য রাখেন, তাহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

তাহেরপুর কলেজ ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক কোরবান খাঁ পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, তাহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু বক্কর মৃধা মুনসুর।তাহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুর রহমান বিপ্লব।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, তাহেরপুর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মুহাঃতোফাজ্জল হোসেন। তাহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আমজাদ মৃধা। তাহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অধ্যাপক সত্যজিৎ রায় তোতা। শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হাসানুজ্জামান মীর, শ্রম সম্পাদক কাউন্সিলর বাবুল খাঁ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ বিষয়ক সম্পাদক ডা: আকবর আলী, সাংগঠন্কি সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সহ দপ্তর সম্পাদক জাহিদ আকরাম, সহ প্রচার সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।
তাহেরপুর পৌর যুবলীগের সভাপতি আসাদুল ইসলাম।
ছাত্রলীগের মধ্যে মুল্যবান বক্তব্য রাখেন, তাহেরপুর পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি নওশাদ আলী। তাহেরপুর পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সন্দীপ রায় টিংকু।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রচার সম্পাদক মোঃহারুনুর রশিদ।
ছাত্রলীগ নেতা শাহিন আলম।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমায় ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৫৪’র প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ৫৮’র আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬’র ৬ দফার পক্ষে গণঅংশগ্রহণের মাধ্যমে মুক্তির সনদ হিসেবে এই দাবিকে প্রতিষ্ঠা করে। এরপর ৬৯’র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনা, ৭০’র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়লাভ এবং ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে পরাধীন বাংলায় লাল সবুজের পতাকার বিজয় ছিনিয়ে আনতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান স্বাধীনতা অর্জনের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে অংশ নেয় ছাত্রলীগ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা সপরিবারে হত্যার পর ছিনতাই হয়ে যায় স্বাধীনতার চেতনা ও গণতান্ত্রিক ধারা।

১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে স্বাধীনতার চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক ধারা পুনরুদ্ধারে আন্দোলনের সূচনা করেন। ছাত্রলীগ ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনন্য ভূমিকা পালন করে।

Total view = 240