• বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন



রাজশাহীতে নকল ঔষধের কারখানার সন্ধান আটক ১: পলাতক সহযোগী ইমদাদ চোরা

Reporter Name / ৭৪৫ Time View
Update : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১



নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্রয়কৃত ঔষধটি আসল কিনা নকল তা যাচাই করতে ঔষধের প্যাকেট দেখেই সাধারন ক্রেতারা ক্রয় করেন। দেশে
বেড়েই চলেছে নকল ও ভেজাল ওষুধের রমরমা ব্যবসা। একই সঙ্গে বাড়ছে অসুস্থ মানুষের সংখ্যা। মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ ডাক্তারের ফি ও টেস্টের (রোগ নির্ণয়) খরচের ‍আতঙ্কে হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যান কম, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা সরাসরি চলে যান ওষুধ বিক্রেতার কাছে। তার কাছে রোগের বিবরণ দিয়ে ওষুধ কিনে নিয়ে আসেন। আর এ সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার আশায় মানুষের জীবন রক্ষাকারী ঔষধ নিয়েও প্রতারনা করছে তারা।

গতকাল রাজশাহী মহানগরীর ভদ্রা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে নকল ঔষধের এক কারখানার সন্ধান পেয়েছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এসময় বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ, জৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ও ওষুধ তৈরীর কাঁচামালসহ ওষুধ তৈরীর একটি মেশিন জব্দ করা হয়েছে। অভিযান চলাকালে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।  শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নকল ওষুধ তৈরীর ওই কারখানায় (বাসায়) অভিযান চালানো হয়।

ছবি সংগৃহীত

আটককৃত ব্যক্তি হলেন- নগরীর ভদ্রা জামালপুর এলাকার মৃত আনসার আলীর ছেলে আনিসুর রহমান (৪২)।

আটককৃত আনিসুর মিডিয়ার সামনে জানান, তিনি ঢাকা থেকে ওষুধ উৎপাদন মেশিনটি নিয়ে এসে দীর্ঘ ১ বছর ধরে নকল ওষুধ তৈরির সাথে যুক্ত। রাজশাহী, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তিনি এই ওষুধ বিক্রি করে আসছেন। আর তার নকল ঔষধ তৈরীতে সহযোগী হিসবে কাজ করেছেন ইমদাদুল হক ওরফে এমদাদ চোরা। আনিসুর আটকের পরে কৌশলে সেখান থেকে সটকে পড়ে কথিত চাঁদাবাজ ইমদাদ চোরা।

জানা গেছে, এই নকল ঔষধ তৈরীর সহযোগী চাঁদাবাজ ডজন মামলার আসামী ইমদাদ চোরা, প্রতারনা করতে গিয়ে ভূয়া ম্যাজিস্ট্রেট সেজে ও সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সকল অপকর্ম করে চষে বেড়ায় এই ইমদাদ চোরা বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। রাজশাহীর দুর্গাপুর পৌর এলাকার এক কুখ্যাত পরিবারে জন্ম নেয়া ওই কথিত চোর পাবনা পালিয়ে থেকে সর্বহারা চরমপন্থী দলের সাথে মিশে চাঁদাবাজি পেশার সাথে থেকে বর্তমানে ভূয়া পরিচয়ে সকল অপকর্মে করে বেড়ায়। তার বিরুদ্ধে মিডিয়াতে সংবাদ ও প্রকাশ করা হয়েছে বেশ কয়েকবার।

ছবি সংগৃহীত

অভিযান পরিচালনাকালে  মহানগর ডিবির এসি রাকিবুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি- ওই বাসায় নকল ওষুধ তৈরী করা হয়। এছাড়া আমরা অভিযোগ পেয়েছি যে, সেখান থেকে নকল ওষুধ সরবরাহ করা হয় এবং ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন দোকানে থেকে ওষুধ কেনার পর  সেটি নকল বুঝতে পারে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অনুসন্ধান শুরু করি।

ছবি সংগৃহীত

অভিযান পরিচালনার সময় বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির যে সকল ওষুধ মার্কেটে বেশি বিক্রি হয় সেসব বিপুল পরিমাণে নকল ওষুধ উদ্ধার করি।  তবে আমরা এই কোম্পানির মূল মালিককে আটক করতে সক্ষম হয়েছি।

নির্ভীক সংবাদ ডটকম




আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category