সাড়া নেই ক্রেতাদের, পুরান ঢাকার অলি-গলিতে পূজার প্রস্তুতি

নির্ভীক সংবাদ24ডটকম ডেস্ক: এই বৃহৎ উৎসবকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন পুরান ঢাকার প্রতিমা শিল্পীরা। তবে এ বছর করোনাভাইরাসের প্রকোপের জেরে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে সাড়া অনেক কম পাচ্ছেন বলে জানাচ্ছেন তারা।  প্রতিবারের মতো এবারো পুরান ঢাকার অলি-গলিতে পরম যত্নে অস্থায়ী পূজামণ্ডপ সাজানো হচ্ছে। বিশেষ পুরান ঢাকার প্রসিদ্ধ শাঁখারীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শ্যামবাজার, কলতাবাজার, মুরগিটোলা, ডালপট্টির মত ছোট-বড় সব মহল্লায় পূজামণ্ডপ বসানোর কাজ এরইমধ্যে শুরু হয়েছে।  সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, দেবীদুর্গাকে বরণ করে নিতে চলছে নানা আয়োজন। জমজমাট শাখারী বাজারে এবার কিছুটা নিস্তব্ধ হলেও শেষ মুহুর্তে এসে খানিকটা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন দোকানীরা। বসে নেই প্রতিমা শিল্পীরাও; দেবী-দুর্গাকে মনের মাধুরি দিয়ে সাজাচ্ছেন তারা। করোনার মহামারীর কারণে অন্যান্য বারের চেয়ে এবারে দূর্গা পূজাকে ঘিরে বেচাকেনা কম হচ্ছে।    জমজমাট শাখারী বাজার এবার কিছুটা নিস্তব্ধ। শাঁখারীবাজারের ব্যবসায়ী দত্ত ভান্ডারের স্বত্তাধিকারী নীল কান্ত দত্ত বলেন, মহামারীর কারণে এবারের সীমিত আকারে পূজা উদযাপন করবে হিন্দুধর্মাবলম্বী মানুষ। যার কারণে বেচাকেনা কিছুটা কম। প্রতিবছর দেশের অন্যান্য প্রান্ত থেকে যে পরিমান অর্ডার আসতো, এবার আর তা নেই। ফলে আমাদের কারিগররা অলস সময় কাটাচ্ছেন। ঢাকা এবং আশপাশের কিছু মানুষ এসে কিছু কেনাকাটা করছে। এবারে আমাদের পাইকারী বিক্রিও কম। শেষ সময়ে কিছু বেচা বিক্রি হলেও আমাদের স্টকে অনেক মালামাল থেকে যাবে।  লক্ষ্মীবাজারের একাধিক জুয়েলারি দোকানি বলেন, করোনার জেরে এবার আমরা কাস্টমার কম পাচ্ছি। পূজার বিভিন্ন সামগ্রী শাঁখা, সিঁদুর, লেস পাইর, প্রতিমার রং, সাটিং কাপড় ইত্যাদি বেচাকেনার ধুম নেই। প্রতিমা সাজানোর বিভিন্ন সাজসজ্জা সামগ্রীও তেমন একটা বিক্রি হচ্ছে না।  শুধু ব্যবসায়ীরাই নয়, প্রতিমা তৈরির কারিগররাও এবার কিছুটা অলস সময় কাটাচ্ছেন। পাতলাখান লেইনের বাসিন্দা প্রতিমা শিল্পী শর্মিলা পাল বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এবার আমাদের প্রতিমা তৈরীর অর্ডার কম আসছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যে পরিমান অর্ডার আসতো, এবার আর তা নেই। অন্যান্য বছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১০ থেকে ১৫টা মূর্তির কাজ পেতাম। এবার আমরা শুধু চারটি অর্ডার পেয়েছি।    আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে সাড়া অনেক কম পাচ্ছে ঢাক-ঢোল...